লাভ ও আনন্দের সময় সমাজের ওপরও তাদের দৃষ্টি রাখা দরকার।
শোক ও দুঃখের সময় পরস্পরকে তারা সহায়তা করবে এবং আনন্দ-উৎসবে নিমন্ত্রণ করবে। বড়-ছোট ভেদাভেদ করবে না।
যদি কোনো আর্য ভ্রাতা কোনো কারণে অনাথ হয়ে যায় বা কোনো নারী বিধবা কিংবা সন্তান অনাথ হয়ে যায় অর্থাৎ যদি আর্যসমাজ সুনিশ্চিত হয় যে তার জীবনের কোনো অবলম্বন নেই তবে আর্যসমাজ তাকে রক্ষায় যথাশক্তি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
যদি আর্যসমাজে কারো সাথে কারো বিবাদ হয় তবে হয় নিজেরা সমাধান করবে কিংবা আর্যসমাজ 'ন্যায়-উপসভা'-এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার করবে।